
বিশেষ প্রতিনিধি, উখিয়া:
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের আঞ্জুমান পাড়া সীমান্ত এলাকায় এক অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ তিনজনকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। উদ্ধার করা হয়েছে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট।
আটককৃতরা হলেন— উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের মেছারখোলা এলাকার মোঃ হোসেনের ছেলে কাসেম, আঞ্জুমান পাড়ার সৈয়দ হোসেনের ছেলে নয়ন এবং একই এলাকার রমজান আলীর ছেলে তারেক।
বিজিবি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আঞ্জুমান পাড়া সীমান্ত এলাকায় একটি বিশেষ টহল দল কৌশলগত অবস্থান নেয়। মাদক পাচারকারীদের একটি দল সীমান্ত অতিক্রম করার সময় বিজিবি জোয়ানরা তাদের ঘেরাও করে আটক করেন। পরবর্তীতে তাদের সঙ্গে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
এদিকে প্রাথমিক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এই চালানের আসল নেপথ্য কারবারির নাম। সীমান্ত এলাকার একাধিক সূত্র ও স্বজনদের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ, উদ্ধারকৃত এই বিপুল পরিমাণ ইয়াবার মূল মালিক প্রকৃতপক্ষে আঞ্জুমানপাড়ার বাবুলের ছেলে নয়ন। আটককৃত কাসেম, নয়ন ও তারেক মূলতঃ বাবুলপুত্র নয়নের নির্দেশে ইয়াবার চালানটি এক স্থান থেকে অন্য স্থানে হস্তান্তর বা পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছিলেন। মাদক সাম্রাজ্যে বাবুলের ছেলে নয়ন এতদিন আড়ালে থেকে সিন্ডিকেট পরিচালনা করে আসছিল বলেও স্থানীয়দের অভিযোগ।
উখিয়া সীমান্ত এলাকার সচেতন মহল মনে করছেন, কেবল বাহকদের আটক করলেই সীমান্ত দিয়ে ইয়াবা পাচার থামবে না। মূল মাদক কারবারি ও নেপথ্যের হেভিওয়েটদের আইনের আওতায় আনা এখন সময়ের দাবি।
বিজিবি ও স্থানীয় পুলিশের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে, আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
একইসাথে ইয়াবা চালানের মূল মালিক হিসেবে অভিযুক্ত বাবুলের ছেলে নয়নের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তাকে গ্রেফতার করতে জোর তৎপরতা চালানো হচ্ছে।