
উখিয়া প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আবারও আলোচনায় এসেছে ‘হালিম গ্রুপের’ সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে পরিচিত জুবাইর। তিনি উখিয়ার ২-ওয়েস্ট রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি-৫ ব্লকের বাসিন্দা।
হালিম গ্রুপের প্রধান হালিম জীবিত থাকা অবস্থায় জুবাইর তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে গ্রুপের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন। হালিমের মৃত্যুর পর গ্রুপটির নেতৃত্বের একটি অংশ জুবাইরের নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি ক্যাম্পের বিভিন্ন এলাকায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন জুবাইর। তার নেতৃত্বে ইয়াবা ব্যবসা, অস্ত্রের লেনদেন, ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও অপহরণের মতো অপরাধ করে যাচ্ছে।
ক্যাম্পের বিভিন্ন স্থানে ইয়াবা ও অস্ত্র পৌঁছে দেওয়া এবং বহনের কাজে কিছু ব্যক্তিকে ব্যবহার করা হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডে কেউ বাধা দিলে তাকে ভয়ভীতি দেখানো কিংবা চাপ প্রয়োগের অভিযোগও রয়েছে।
এছাড়া ক্যাম্পের সাধারণ বাসিন্দাদের কাছ থেকে বিভিন্ন অজুহাতে চাঁদা আদায় এবং লোকজনকে তুলে নিয়ে অর্থ দাবি করার মতো কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে।
সীমান্তের ওপারে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে জুবাইরের যোগাযোগ রয়েছে বলে স্থানীয় সুত্রে জানাযায়। অস্ত্রের লেনদেন ও সীমান্তকেন্দ্রিক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগও রয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, জুবাইরের নেতৃত্বে ক্যাম্পের ভেতরে নিজেদের প্রভাববলয় তৈরি করে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে রাখার চেষ্টা করছে। ফলে অপরাধের অভিযোগগুলো দ্রুত তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করা জরুরি বলে মনে করছেন তারা।
এদিকে, জুবাইরের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই এবং জুবাইরের অপরাধ তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করা প্রয়োজন।
ক্যাম্পের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জুবাইরের বিরুদ্ধে অভিযোগে উঠে আসা বিষয়ে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো,আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।