
নিজস্ব প্রতিবেদক :
রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে শুরু করে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পগুলোতেও বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা, সংঘাত, অপহরণ, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও চাঁদাবাজির অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় রয়েছে।
রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি—আরসা (ARSA) ২০১০-সালের মাঝামাঝি সময়ে প্রকাশ্যে আসে। ২০১৬ ও ২০১৭ সালে রাখাইন রাজ্যে সশস্ত্র হামলার ঘটনায় সংগঠনটির নাম উঠে আসে। পরবর্তী সময়ে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অভিযান ও ব্যাপক সহিংসতার প্রেক্ষাপটে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। ২০১৭ সালের সহিংসতার পর ৮ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।
বাংলাদেশের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতেও বিভিন্ন সময়ে হত্যা, অপহরণ, ভয়ভীতি, চাঁদাবাজি ও অন্যান্য সহিংসতার অভিযোগ সামনে এসেছে। আন্তর্জাতিক সংস্থা ও মানবিক সহায়তা প্রদানকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও ক্যাম্পের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে।
রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অনেকের আশঙ্কা, অধিকার রক্ষার নামে পরিচালিত সশস্ত্র কর্মকাণ্ডের প্রভাব শেষ পর্যন্ত সাধারণ বেসামরিক মানুষের ওপর পড়তে পারে। ক্যাম্পে বসবাসকারী সাধারণ রোহিঙ্গারা নিরাপদ পরিবেশ, চলাচলের স্বাধীনতা এবং ভয়ভীতিমুক্ত জীবনযাপনের সুযোগ চান।
সাধারণ রোহিঙ্গা বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।