নিজস্ব প্রতিবেদক :
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় ইয়াবা উদ্ধার অভিযানে বালুখালী ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল মোমিনের বিরুদ্ধে ৩ হাজার পিস ইয়াবা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
গত শনিবার (৯ নভেম্বর) দুপুরে পালংখালী ইউনিয়নের থাইংখালী স্টেশনের তেলখোলা এলাকা থেকে এক নারী পাচারকারীকে আটক করে বালুখালী ফাঁড়ির পুলিশ। অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন এএসআই মোমিন।
উখিয়া থানা সূত্রে জানানো হয়, “এসআই (নিঃ) সঞ্জিৎ কুমার মন্ডল, এএসআই আব্দুল মোমিন ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযানে ০৫নং পালংখালী ইউনিয়নের থাইংখালী বাজারের তেলখোলা রোডে রহিমা বেগম (৩৭)-এর হেফাজত থেকে ৩ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়"।
তবে অনুসন্ধানে জানা গেছে, অভিযানে এসআই সঞ্জিৎ কুমার উপস্থিত ছিলেন না; পুরো অভিযান পরিচালনা করেন এএসআই মোমিন। মোমিন নিজেও স্বীকার করেছেন (ভিডিও প্রমাণ সংরক্ষিত), “সোর্সরা ইয়াবা ধরিয়ে দিলে তাদের ৫০ শতাংশ দিতে হয়। তাই ৬ হাজার পিসের মধ্যে ২-৩ হাজার পিস দিয়েই মামলা দেই,”—এমন মন্তব্য করেন তিনি অকপটে।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে— যদি সোর্সদের ইয়াবা দিয়ে দেওয়া হয়, তবে মাদকবিরোধী অভিযান কতটা কার্যকর? নাকি উদ্ধারকৃত ইয়াবার অর্ধেক নিজেই আত্মসাৎ করা হচ্ছে?
উখিয়া থানার ওসি জিয়াউল হক জিয়া বলেন, "ঘটনাস্থলে আমরা যা পেয়েছি, তাই জব্দ করেছি। এ বিষয়ে প্রেস রিলিজ দেওয়া হয়েছে। তবে, এএসআই মোমিনের বক্তব্য বিষয়ে তদন্ত করা হবে"।
৬ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার হলেও মামলায় ৩ হাজার দেখানোয় পুলিশের অভ্যন্তরে নড়চড় শুরু হয়েছে। সচেতন মহল ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।